বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৭

আগুনপাখি। হাসান আজিজুল হক।

আগুনপাখি
হাসান আজিজুল হক।
ডাউনলোড আগুনপাখি

[বুক ডিটেইলঃ গুড রিডার থেকে]
গাঁয়ের একটি মেয়ে, বাপের বাড়ি শ্বশুরবাড়ির বাইরে সে জানে চারপাশের মানুষজনকে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই হিন্দু ।

শুক্রবার, ১৪ জুলাই, ২০১৭

টেরির দানো। রকিব হাসান।

তিন বন্ধু/ কিশোর চিলার
টেরির দানো
রকিব হাসান

টেরিয়ার ডায়েলের মনে শান্তি নেই। কিছুতেই পেরে ওঠে না তিন গোয়েন্দার সঙ্গে।
 Click here to Download

শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০১৭

টিনটিন এর ১৯ টা বইয়ের pdf

টিনটিন কমিক বই অনেকের খুবই প্রিয়। বিশেষ করে ছোটো ছেলেমেয়েরা এই সিরিজের বিশেষ ভক্ত। টিনটিন কমিক লাভারদের জন্য তাই একবারে ১৯ টা বইয়ের  pdf লিংক দিয়ে দিলাম। আশা করি টিনটিনের এই ১৯ টা বই সবারি ভাল লাগবে। নিচে টিনটিনের সব বই গুলোর ডাউনলোড লিংক দেয়া আছে।

মঙ্গলবার, ৪ জুলাই, ২০১৭

রবিবার, ২ জুলাই, ২০১৭

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
(ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ) 
শেষ দিন
 আজ অনুপমার শেষ দিল। এ সংসারে সে আর থাকিবে না। জ্ঞান হইয়া অবধি সে সুখ পায় নাই। ছেলেবেলায় ভালবাসিয়াছিল বলিয়া নিজের শান্তি নিজে ঘুচাইয়াছিল; অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করিয়াছিল বলিয়া বিধাতা তাহাকে একতিলও সুখ দেন নাই। যাহাকে ভালবাসিত মনে করিত, তাহাকে পাইল না; যে ভালবাসিতে আসিয়াছিল, তাহাকে তাড়াইয়া দিল। পিতা নাই, মাতা নাই, দাঁড়াইবার স্থান নাই, স্ত্রীলোকের একমাত্র অবলম্বন সতীত্বের সুযশ, তাহাও ঈশ্বর কাড়িয়া লইতে বসিয়াছেন

শনিবার, ১ জুলাই, ২০১৭

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (পঞ্চম পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
(পঞ্চম পরিচ্ছেদ) 
চন্দ্রবাবুর সংসার
 তিন বৎসর পরে খালাস হইয়াও ললিতমোহন বাড়ি ফিরিল না। কেহ বলিল, লজ্জায় আসিতেছে না। কেহ বলিল, সে গ্রামে কি আর মুখ দেখাতে পারে? ললিতমোহন নানা স্থান পরিভ্রমন করিয়া দুই বৎসর পরে সহসা একদিন বাটীতে আসিয়া উপস্থিত হইল। তাহার জননী আনন্দে পুত্রের শিরশ্চুম্বন করিয়া আর্শীবাদ করিলেন—“বাবা, এবার বিবাহ করে সংসারী হও, যা কপালে ছিল তা ত ঘটে গিয়েছে, এখন সেজন্য আর মনে দুঃখ ক’রো না।” ললিতও যাহা হয় একটা করিবে স্থির করিল।

শুক্রবার, ৩০ জুন, ২০১৭

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (চতুর্থ পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
(চতুর্থ পরিচ্ছেদ)
বৈধব্য
 তথাপি অনুপমা একটু কাঁদিল। স্বামী মরিলে বাঙালীর মেয়েকে কাঁদিতে হয়, তাই কাঁদিল। তাহার পর স্ব-ইচ্ছায় সাদা পরিয়া সমস্ত অলঙ্কার খুলিয়া ফেলিল। জননী কাঁদিতে কাঁদিতে বলিলেন, “অনু, তোর এ বেশ ত আমি চোখে দেখতে পারি না, অন্তত হাতে একজোড়া বালাও রাখ।”
 “তা হয় না, বিধবার অলঙ্কার পরতে নেই।”
 “কিন্ত তুই কচি মেয়ে।”

বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন, ২০১৭

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (তৃতীয় পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
(তৃতীয় পরিচ্ছেদ)

বিবাহ
 আজ ৫ই বৈশাখ। অনুপমার বিবাহ-উৎসবে আজ গ্রামটা তোলপাড় হইতেছে। জগবন্ধুবাবুর বাটীতে আজ ভিড় ধরে না। কত লোক যাইতেছে, কত লোক হাঁকাহাঁকি করিতেছে। কত খাওয়ান-দাওয়ানর ঘটা, কত বাজনা-বাদ্যের ধুম। যত সন্ধ্যা হইয়া আসিতে লাগিল, ধুমধাম তত বাড়িয়া উঠিতে লাগিল; সন্ধ্যা-লগ্নেই বিবাহ, এখনই বর আসিবে—সকলেই উৎসাহে আগ্রহে উন্মুখ হইয়া আছে।

বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
(দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ)

ভালবাসার ফল
 দুর্লভ বসু বিস্তর অর্থ রাখিয়া পরলোকগমন করিলে তাঁহার বিংশতিবর্ষীয় একমাত্র পুত্র ললিতমোহন শ্রাদ্ধশান্তি সমাপ্তি করিয়া একদিন স্কুলে যাইয়া মাস্টারকে বলিল, “মাস্টারমশায়, আমার নামটা কেটে দিন।”
 “কেন বাপু?”
 “মিথ্যে পড়ে-শুনে কি হবে? যেজন্য পড়াশুনা, তা আমার বিস্তর আছে। বাবা আমার জন্যে অনেক প’ড়ে রেখে গিয়েচেন।”