শুক্রবার, ৩০ জুন, ২০১৭

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (চতুর্থ পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
(চতুর্থ পরিচ্ছেদ)
বৈধব্য
 তথাপি অনুপমা একটু কাঁদিল। স্বামী মরিলে বাঙালীর মেয়েকে কাঁদিতে হয়, তাই কাঁদিল। তাহার পর স্ব-ইচ্ছায় সাদা পরিয়া সমস্ত অলঙ্কার খুলিয়া ফেলিল। জননী কাঁদিতে কাঁদিতে বলিলেন, “অনু, তোর এ বেশ ত আমি চোখে দেখতে পারি না, অন্তত হাতে একজোড়া বালাও রাখ।”
 “তা হয় না, বিধবার অলঙ্কার পরতে নেই।”
 “কিন্ত তুই কচি মেয়ে।”

বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন, ২০১৭

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (তৃতীয় পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
(তৃতীয় পরিচ্ছেদ)

বিবাহ
 আজ ৫ই বৈশাখ। অনুপমার বিবাহ-উৎসবে আজ গ্রামটা তোলপাড় হইতেছে। জগবন্ধুবাবুর বাটীতে আজ ভিড় ধরে না। কত লোক যাইতেছে, কত লোক হাঁকাহাঁকি করিতেছে। কত খাওয়ান-দাওয়ানর ঘটা, কত বাজনা-বাদ্যের ধুম। যত সন্ধ্যা হইয়া আসিতে লাগিল, ধুমধাম তত বাড়িয়া উঠিতে লাগিল; সন্ধ্যা-লগ্নেই বিবাহ, এখনই বর আসিবে—সকলেই উৎসাহে আগ্রহে উন্মুখ হইয়া আছে।

বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
(দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ)

ভালবাসার ফল
 দুর্লভ বসু বিস্তর অর্থ রাখিয়া পরলোকগমন করিলে তাঁহার বিংশতিবর্ষীয় একমাত্র পুত্র ললিতমোহন শ্রাদ্ধশান্তি সমাপ্তি করিয়া একদিন স্কুলে যাইয়া মাস্টারকে বলিল, “মাস্টারমশায়, আমার নামটা কেটে দিন।”
 “কেন বাপু?”
 “মিথ্যে পড়ে-শুনে কি হবে? যেজন্য পড়াশুনা, তা আমার বিস্তর আছে। বাবা আমার জন্যে অনেক প’ড়ে রেখে গিয়েচেন।”

অনুপমার প্রেম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (প্রথম পরিচ্ছেদ)

অনুপমার প্রেম
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(প্রথম পরিচ্ছেদ)
বিরহ
 একাদশবর্ষ বয়ঃক্রমের মধ্যে অনুপমা নবেল পড়িয়া পড়িয়া মাথাটা একেবারে বিগড়াইয়া ফেলিয়াছে। সে মনে করিল, মনুষ্য-হৃদয়ে যত প্রেম, যত মাধুরী, যত শোভা, যত সৌন্দর্য, যত তৃষ্ণা আছে, সব খুঁটিয়া বাছিয়া একত্রিত করিয়া নিজের মস্তিষ্কের ভিতর জমা করিয়া ফেলিয়াছে; মনুষ্য-স্বভাব, মনুষ্য-চরিত্র তাহার নখদর্পণ হইয়াছে।

শনিবার, ২৪ জুন, ২০১৭

জুলভার্ন এর রচনা সমগ্র।

নিজের কিল্পনা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে পুরো দুনিয়া চষে বেড়িয়েছেন যিনি যার বই এখনো হাতছানি দেয় সাগরতলে পাতালে আকাশে সেইতো জুলভার্ন। সেই কবে লিখে গেছেন চমৎকার সব বিজ্ঞান কল্পকাহিনী যা আজো সমান মজাদার আকর্ষনীয়। তার লেখা অনেক প্রযুক্তি আজকের দিনে আমারা সত্যি ব্যাবহার করছি। তাই তার কল্পনা তার ভাবনা দেখলে অবাক হতেই হয়।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর ১১ টি বইয়ের বইয়ের পিডিএফ।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর ১১ টি ই-বুক মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর বই পড়তে অনেকেই ভালবাসেন। কিন্তু পছন্দের বইগুলো ঠিক খুজে পাওয়া যায় না সবসময়, তাইতো? আশা করি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর  এই ১১ টা ইবুক আপনার কাজে লাগবে।

সোমবার, ১২ জুন, ২০১৭

শকুন্তলা। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর


শকুন্তলা (সিগনেট প্রেস সংস্করণ) 11.tif

শকুন্তলা
এক নিবিড় অরণ্য ছিল। তাতে ছিল বড় বড় বট, সারি সারি তাল তমাল, পাহাড় পর্বত, আর ছিল—ছোট নদী মালিনী।
মালিনীর জল বড়ো স্থির—আয়নার মতো৷ তাতে গাছের ছায়া, নীল আকাশের ছায়া, রাঙা মেঘের ছায়া—সকলি দেখা যেত। আর দেখা যেত গাছের তলায় কতগুলি কুটিরের ছায়া।